• ১০ কার্তিক ১৪৩৩, শুক্রবার ৩০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Kolkata Metro

কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

কবি সুভাষ-জয়হিন্দ মেট্রো যুক্ত হওয়ার উদ্যোগ, বেলেঘাটা–আইটি সেন্টার অংশে পরীক্ষামূলক যাত্রা

বিমানবন্দর মেট্রো করিডোরের বেলেঘাটাআইটি সেন্টার অংশে প্রথম পরীক্ষামূলক যাত্রা সম্পন্ন হল। এই লাইনে যাত্রা শুরু হলে লক্ষ লক্ষ যাত্রীর সুরাহা হবে। একটা বিরাট অংশের মানুশ যুক্ত হবে মেট্রোর সঙ্গে।মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আরভিএনএল কর্তৃপক্ষের বিশেষজ্ঞতায় আজ, শনিবার কবি সুভাষজয় হিন্দ বিমানবন্দর মেট্রো করিডোরের (অরেঞ্জ লাইন) বেলেঘাটাআইটি সেন্টার অংশে প্রথম পরীক্ষামূলক যাত্রা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।এটি এই প্রকল্পের জন্য একটি বড় মাইলফলক, যা কলকাতার মানুষের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন। এর মাধ্যমে কমিউনিকেশন বেসড ট্রেন কন্ট্রোল (সিবিটিসি) সিস্টেমের পরীক্ষামূলক যাত্রাও শুরু হলো।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে কলকাতা মেট্রোর বড় ঘোষণা, শনিবার-রবিবার বাড়ছে পরিষেবা

কলকাতা মেট্রোর যাত্রীদের জন্য পুজোর আগে বড় সুখবর। পুজোর কেনাকাটা এবং বাড়তি যাত্রী চাপ সামাল দিতে প্রাক্-পুজোর চারটি সপ্তাহান্তে ব্লু, গ্রিন ও ইয়েলো লাইনে বাড়ানো হচ্ছে মেট্রো পরিষেবা। আগামী ৩, ৪, ১০ এবং ১১ অক্টোবর অতিরিক্ত মেট্রো চালানো হবে বলে জানিয়েছে মেট্রো রেল।শনিবার বাড়বে পরিষেবাআগামী ৩ ও ১০ অক্টোবর শনিবার ব্লু লাইনে মোট ২৭২টি মেট্রো চলবে। অর্থাৎ আপ ও ডাউন মিলিয়ে ১৩৬টি করে পরিষেবা দেওয়া হবে। সাধারণ শনিবারের ২৫২টি পরিষেবার তুলনায় ২০টি বেশি মেট্রো চলবে। তবে প্রথম ও শেষ মেট্রোর সময়সূচিতে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।গ্রিন লাইনেও বাড়ছে পরিষেবা। এই দুই শনিবার মোট ২৩৬টি মেট্রো চলবেআপ ও ডাউন মিলিয়ে ১১৮টি করে। সাধারণ শনিবারের ২১২টি পরিষেবার পরিবর্তে ২৪টি অতিরিক্ত পরিষেবা মিলবে।অন্যদিকে, ইয়েলো লাইনে শনিবার মোট ১২০টি মেট্রো চলবে। আপ ও ডাউন মিলিয়ে ৬০টি করে পরিষেবা থাকবে। সাধারণ শনিবারের ৯২টির তুলনায় ২৮টি বেশি পরিষেবা দেওয়া হবে। এই ক্ষেত্রেও প্রথম ও শেষ মেট্রোর সময়ে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।শনিবার পার্পল লাইনে স্বাভাবিক পরিষেবা চালু থাকবে। তবে অরেঞ্জ লাইনে আগের নিয়মেই কোনও মেট্রো পরিষেবা থাকবে না।রবিবারও বাড়তি মেট্রো৪ ও ১১ অক্টোবর রবিবার ব্লু লাইনে মোট ১৮৮টি পরিষেবা চালানো হবে। আপ ও ডাউন মিলিয়ে ৯৪টি করে মেট্রো চলবে। সাধারণ রবিবারের ১৫২টি পরিষেবার তুলনায় ৩৬টি বেশি পরিষেবা পাওয়া যাবে।গ্রিন লাইনে মোট ১২৫টি পরিষেবা থাকবে। এর মধ্যে ৬২টি আপ এবং ৬৩টি ডাউন পরিষেবা। সাধারণ রবিবারের ১১১টির তুলনায় ১৪টি বেশি মেট্রো চলবে। প্রথম ও শেষ মেট্রোর সময় অপরিবর্তিত থাকবে।ইয়েলো লাইনে অবশ্য রবিবার স্বাভাবিক ৭৮টি পরিষেবাই চালানো হবে। তবে জয় হিন্দ বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে সরাসরি মেট্রো পরিষেবা ৩টির পরিবর্তে ২টি থাকবে। প্রথম ও শেষ মেট্রোর সময়েও কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।রবিবার পার্পল ও অরেঞ্জ লাইনে কোনও মেট্রো পরিষেবা থাকবে না, যা স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ীই করা হবে।মেট্রো রেলের তরফে জানানো হয়েছে, পুজোর আগে কেনাকাটা ও অন্যান্য কাজে শহরে যাত্রীদের বাড়তি ভিড়ের কথা মাথায় রেখেই এই অতিরিক্ত পরিষেবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

নেতাজি থেকে উত্তম কুমার, বদলে যেতে পারে একাধিক মেট্রো স্টেশনের নাম! কেন এই প্রস্তাব?

কলকাতার রাস্তার নাম পরিবর্তনের পর এবার মেট্রো স্টেশনের নাম নিয়েও শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। মহানায়ক উত্তম কুমার, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, জ্যোতিরিন্দ্র নন্দীর নামে থাকা মেট্রো স্টেশনের নাম বদলের প্রস্তাব আসতে পারে বলে সূত্রের খবর। প্রবীণ বিজেপি নেতা তথাগত রায় ব্যক্তির নামে মেট্রো স্টেশনের নামকরণ নিয়ে আপত্তি জানিয়ে সরকারি কমিটির কাছে এই প্রস্তাব জমা দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মহানায়ক উত্তম কুমার মেট্রো স্টেশনের নাম বদলে ফের টালিগঞ্জ করার প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে। একই ভাবে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং জ্যোতিরিন্দ্র নন্দীর নামে থাকা মেট্রো স্টেশনের নামও বদলানোর প্রস্তাব আসতে পারে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই স্টেশনগুলির নাম সংশ্লিষ্ট এলাকার নাম অনুসারে রাখার কথা ভাবা হচ্ছে।ভবানীপুর মেট্রো স্টেশনের নাম নিয়েও আপত্তি রয়েছে তথাগত রায়ের। বর্তমানে স্টেশনটির সঙ্গে নেতাজি ভবনের নাম যুক্ত থাকলেও, তাঁর যুক্তি, স্টেশনটি নেতাজি ভবন থেকে বেশ কিছুটা দূরে। তাই এই স্টেশনের নামও বদলানোর প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।বেলেঘাটা মেট্রো স্টেশনের নাম নিয়েও একই ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। সূত্রের খবর, যে এলাকায় বেলেঘাটার মূল অংশ, সেখান থেকে মেট্রো স্টেশনটি যথেষ্ট দূরে হওয়ায় নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব আসতে পারে। একই সঙ্গে স্বপ্ন ভোর মেট্রো স্টেশনের নাম নিয়েও বদলের কথা শোনা যাচ্ছে। এই স্টেশনের নামও সংশ্লিষ্ট এলাকার নাম অনুসারে রাখার পরিকল্পনা হতে পারে।শুধু মেট্রো স্টেশন নয়, কলকাতার একাধিক রাস্তার নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা চলছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর সোহরাবর্দি অ্যাভিনিউয়ের নাম পরিবর্তন করে গোপাল মুখার্জি রোড করা হয়েছে। এবার লেনিন সরণির নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব দিতে পারেন তথাগত রায়।সূত্রের খবর, লেনিনের নামে থাকা রাস্তার নাম বদলে দেবপ্রসাদ ঘোষের নামে করার প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি কার্ল মার্কস সরণির নাম পরিবর্তন করে রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় অথবা মাইকেল মধুসূদন দত্তের নামে করার প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা রয়েছে।হো-চি-মিন সরণির নাম বদলে মার্টিন লুথার কিংয়ের নামে করার প্রস্তাবও আসতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই সমস্ত নাম পরিবর্তনের বিষয় এখনও প্রস্তাব ও জল্পনার পর্যায়ে রয়েছে। সরকারি ভাবে কোন কোন রাস্তা বা মেট্রো স্টেশনের নাম পরিবর্তন করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।ফলে মহানায়ক উত্তম কুমারের নামে থাকা মেট্রো স্টেশন ফের টালিগঞ্জ নামে ফিরবে কি না, ভবানীপুর মেট্রোর নাম পরিবর্তন হবে কি না, কিংবা বেলেঘাটা ও স্বপ্ন ভোরের নামেও বদল আসবে কি না, তা নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সরকারি কমিটির কাছে প্রস্তাব জমা পড়ার পরেই এই বিষয়ে পরবর্তী ছবি আরও স্পষ্ট হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
কলকাতা

রবিবার মেট্টো চলাচল কোন দিকে কতক্ষণ বন্ধ থাকবে? অসুবিধায় না পড়তে এই খবর আগে পড়ুন

রবিবার বাড়ি থেকে বের হওয়ার আগে মেট্রো রেলের এই ঘোষণা জেনে নিন। ওই দিন কয়েকটি স্টেশনের মধ্যে মেট্রো চলাচল বন্ধ থাকবে। মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের কাজের সুবিধার্থে ১৩.০৯.২০২৬ (রবিবার) ব্লু লাইনের গীতাঞ্জলি এবং কবি নজরুল মেট্রো স্টেশনের মধ্যে যান চলাচল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এর ফলে, ওই দিন সকাল ০৯:০০টা থেকে সন্ধ্যা ১৮:৩০টা পর্যন্ত শহীদ ক্ষুদিরাম এবং মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশনের মধ্যে কোনো মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে না।তবে, ওই দিন অর্থাৎ ১৩.০৯.২০২৬ (রবিবার) দক্ষিণেশ্বর এবং মহানায়ক উত্তম কুমার মেট্রো স্টেশনের মধ্যে স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে। রবিবার ব্লু লাইনের সম্পূর্ণ অংশে, অর্থাৎ দক্ষিণেশ্বর থেকে শহীদ ক্ষুদিরাম মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত স্বাভাবিক মেট্রো পরিষেবা সন্ধ্যা ১৮:৩০টার পর (আনুমানিক) পুনরায় চালু হবে। যাত্রীদের এই অসুবিধার জন্য কর্তৃপক্ষ আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
কলকাতা

রিষড়ায় স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীর মর্মান্তিক পরিণতি! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

হুগলির রিষড়ায় এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতার বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মৃত ব্যক্তি ওই মহিলার স্বামী। এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শনিবার সকালে রিষড়ার তিন নম্বর গভর্নমেন্ট কলোনির একটি ভাড়া বাড়ি থেকে বত্রিশ বছরের মণিকা ওঝার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁর গলায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনার সময় পাশের বিছানায় ঘুমিয়ে ছিল দম্পতির ছয় বছরের মেয়ে। দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকতেই তাঁরা মহিলার নিথর দেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।প্রতিবেশীদের দাবি, শুক্রবার রাতে ওই বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসার শব্দ শোনা গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, কর্মসূত্রে দিল্লিতে থাকা দীপঙ্কর সরকার কয়েক দিন আগে বাড়ি ফিরেছিলেন। ঘটনার পর থেকে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে তদন্তকারীরা তাঁর সন্ধান শুরু করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, মহিলার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।এরই মধ্যে শনিবার দুপুরে বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তি মেট্রো লাইনে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান। পরে তাঁর পরিচয় জানতে গিয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়, তিনি রিষড়ার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দীপঙ্কর সরকার। এরপর থেকেই দুই ঘটনার যোগসূত্র খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক অশান্তি এই ঘটনার নেপথ্যে থাকতে পারে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে দীপঙ্করের মনে সন্দেহ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এই তথ্যের স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে দম্পতির ছয় বছরের শিশুকন্যার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রতিবেশীরা। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই ঘটনাকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই রয়ে গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

অফিস টাইমে বড় বিপত্তি! রবীন্দ্র সদন-নেতাজি ভবনের মাঝে থমকে গেল মেট্রো

সাতসকালে মেট্রো বিভ্রাটে চরম ভোগান্তিতে পড়লেন যাত্রীরা। ব্যস্ত কর্মদিবসের সকালে হঠাৎ পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েন অফিসযাত্রী ও পড়ুয়ারা। কিছু অংশে সাময়িকভাবে মেট্রো চলাচল বন্ধ ছিল। তবে মেট্রো রেলের ইঞ্জিনিয়াররা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামতির কাজ শুরু করেন। প্রায় ৪২ মিনিট পর মেট্রো পরিষেবা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়।মেট্রো রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্র সদন এবং নেতাজি ভবন স্টেশনের মাঝেই আচমকা যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। সেই কারণেই মেট্রো চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সমস্যার কথা জানা মাত্রই রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু করা হয়। প্রথম দিকে শুধুমাত্র ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং মহানগর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত সীমিত পরিসরে মেট্রো চলছিল। দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রায় ৪২ মিনিট পরে গোটা রুটেই পরিষেবা স্বাভাবিক হয়।উল্লেখযোগ্যভাবে, ব্লু লাইনে মেট্রো বিভ্রাট নতুন ঘটনা নয়। এর আগেও একাধিকবার যান্ত্রিক সমস্যার কারণে পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। গত মঙ্গলবারই ব্লু লাইনে মেট্রোর সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এক ব্যক্তি। সেই ঘটনার জেরে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে টালিগঞ্জের মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশন থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে অফিসফেরত যাত্রী এবং কলেজ পড়ুয়াদের বড় সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক যাত্রীকে টালিগঞ্জে নেমে অন্য উপায়ে বাড়ি ফিরতে হয়। সন্ধ্যা ৭টা ৯ মিনিট নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।বারবার এই ধরনের বিভ্রাটে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। বিশেষ করে অফিস টাইমে মেট্রো বন্ধ হয়ে গেলে চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন নিত্যযাত্রীরা।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

রবিবার সন্ধ্যায় ভয়াবহ ঘটনা, নেতাজি ভবনে লাইনে ঝাঁপ! থমকে গেল কলকাতা মেট্রো

রবিবার সন্ধ্যায় কলকাতা মেট্রোর ব্লু লাইনে চরম বিভ্রাট দেখা দেয়। নেতাজি ভবন মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তি লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ঘটনার জেরে আচমকাই বন্ধ হয়ে যায় মেট্রো পরিষেবা। ভর সন্ধ্যায় এই ঘটনায় দুর্ভোগে পড়েন অসংখ্য যাত্রী।মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার শীতের দিনে যাত্রীদের ভিড় ছিল যথেষ্ট বেশি। অনেকেই পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ একটি মেট্রো ট্রেন নেতাজি ভবন স্টেশনে ঢোকার সময় হঠাৎ ওই ব্যক্তি লাইনে ঝাঁপ দেন। চালক দ্রুত ট্রেন থামানোর চেষ্টা করেন। তবুও ওই ব্যক্তি গুরুতর জখম হন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।এই ঘটনার পরেই ব্লু লাইনে মেট্রো চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন স্টেশনে একাধিক মেট্রো রেক দাঁড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পরে পরিষেবা আংশিকভাবে শুরু হলেও দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম স্টেশন পর্যন্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ রাখা হয়। ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে মহানায়ক উত্তম কুমার, অর্থাৎ টালিগঞ্জ স্টেশন পর্যন্ত সীমিত পরিসরে মেট্রো চালানো হয়।কলকাতা শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা হল ব্লু লাইন মেট্রো। রবিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ এই পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু যাত্রী সমস্যায় পড়েন। অনেক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে দেখা যায় যাত্রীদের। পরিষেবা স্বাভাবিক হবে কি না, সেই অনিশ্চয়তায় বহু মানুষ শেষ পর্যন্ত অন্য যানবাহনের সাহায্যে গন্তব্যে রওনা দেন।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

মেট্রো বন্ধ, লাইন ধরে হাঁটা! রবিবার দুপুরে টালিগঞ্জে অস্বস্তির ছবি

ট্রেনের গোলযোগ হোক বা লাইন পারাপারের তাড়া, রেললাইনের উপর দিয়ে মানুষ হাঁটছেনএমন দৃশ্য নতুন নয়। কিন্তু মেট্রোর লাইনের উপর দিয়ে যাত্রীদের হাঁটা? রবিবার দুপুরে ঠিক এমনই ছবি দেখা গেল কলকাতায়। বছরের শেষের ছুটির আমেজে বহু মানুষ ঘুরতে বেরিয়েছিলেন। পিকনিক, গেট-টুগেদার আর আউটিংয়ের ভিড়ে ভরা ছিল শহর। সেই আনন্দের মাঝেই ফের একবার বিপত্তি ঘটল মেট্রো পরিষেবায়।রবিবার বারবেলায় নেতাজি মেট্রো স্টেশন ও টালিগঞ্জ স্টেশনের মাঝে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে পড়ে একটি মেট্রো। হঠাৎ থেমে যাওয়ায় মেট্রোর ভিতরেই আটকে পড়েন বহু যাত্রী। সময় গড়াতে থাকায় বাড়তে থাকে অস্বস্তি ও আতঙ্ক। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে মেট্রোর ভিতরে আটকে থাকার পর যাত্রীদের টালিগঞ্জ স্টেশনে নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপর মেট্রো লাইনের উপর দিয়েই পায়ে হেঁটে স্টেশনের দিকে এগোতে দেখা যায় যাত্রীদের।মেট্রো রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই সমস্যা তৈরি হয়। আপ লাইনে চলা একটি মেট্রো রেকে হঠাৎ ইমার্জেন্সি ব্রেক লেগে যায়। ফলে ওই রেকটিকে আর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন ইঞ্জিনিয়াররা। নতুন একটি রেক আনা হচ্ছে বলে জানানো হয়, যাতে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া যায়।মেট্রোর ভিতরে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার কারণে অনেক যাত্রীই বিরক্ত ও ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। কেউ কেউ আতঙ্কিতও হন। এক মহিলা যাত্রী ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, মানুষকে শুধু হয়রানি করা হল। কোনও ব্যবস্থাই নেই। এক ঘণ্টার বেশি দেরি করানো হয়েছে।মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে দক্ষিণেশ্বর থেকে ময়দান পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালু রয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
কলকাতা

বড় চমক কলকাতা মেট্রোর! এবার বিমানবন্দর থেকে সরাসরি দক্ষিণ কলকাতা

নতুন বছর শুরুর আগেই কলকাতার যাত্রীদের জন্য বড় সুখবর দিল কলকাতা মেট্রো। আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে শহরের জয় হিন্দ বিমানবন্দর স্টেশন থেকে সরাসরি দক্ষিণ কলকাতার শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা চালু হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে পরীক্ষামূলক ভাবে এই পরিষেবা শুরু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ।মেট্রো সূত্রে জানা গিয়েছে, সোম থেকে শুক্রবার পর্যন্ত প্রতিদিন দুটি করে সরাসরি ট্রেন চলবে। একটি ট্রেন চলবে সকালবেলার ব্যস্ত সময়ে এবং অন্যটি চলবে রাতে। এই পরিষেবা চালু হলে বিমানবন্দরে নামা যাত্রীদের আর নোয়াপাড়া স্টেশনে ট্রেন বদলাতে হবে না। ফলে যাত্রা হবে অনেকটাই স্বচ্ছন্দ এবং সময়ও বাঁচবে।এতদিন বিমানবন্দর থেকে এসপ্ল্যানেড, কালীঘাট, মহানায়ক উত্তম কুমার কিংবা শহিদ ক্ষুদিরামের দিকে যেতে হলে নোয়াপাড়ায় ট্রেন বদল করা ছিল বাধ্যতামূলক। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি হত। নতুন এই পরিষেবায় সেই সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করছে মেট্রো রেলওয়ে।সূচি অনুযায়ী, প্রথম সরাসরি মেট্রো ট্রেনটি সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে জয় হিন্দ বিমানবন্দর স্টেশন থেকে ছাড়বে। দ্বিতীয় ট্রেনটি ছাড়বে রাত ৯টায়। দুটি ট্রেনই নোয়াপাড়া হয়ে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত যাবে। তবে মাঝপথে যাত্রীদের কোথাও ট্রেন পরিবর্তন করতে হবে না।মেট্রো কর্তৃপক্ষের আশা, এই পরীক্ষামূলক পরিষেবার মাধ্যমে বিমানবন্দর থেকে দক্ষিণ কলকাতা এবং শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ আরও উন্নত হবে। যাত্রীদের চাহিদা এবং পরিষেবার সাফল্য বিচার করে ভবিষ্যতে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে মেট্রো রেলওয়ে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫
রাজ্য

রুট বাড়তেই বাড়ছে যাত্রীদের ভিড়, ৮ সেপ্টেম্বর কত যাত্রী চড়েছেন মেট্রোতে?

হাওড়া, শিয়ালদা ও সেক্টর ফাইভ, অন্যদিকে বিমানবন্দরে নোয়াপাড়া মেট্রো চালু হতেই ভিড় বেড়েছে কলকাতা মেট্রোতে। গতকাল অর্থাৎ ৮ সেপ্টেম্বর মেট্রোতে প্রায় ৮ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করেছেন। মেট্রোর ব্লু লাইন ব্যবহার করেছেন প্রায় ৫.৭০ লক্ষ যাত্রী এবং গ্রিন লাইনে যাত্রীর সংখ্যা ছিল ২.০৯ লক্ষ। নিয়মিত পরিষেবা ও যাত্রী-সুবিধার কারণে ক্রমশই বেশি মানুষ মেট্রোকে ভরসা করছেন বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষযদীর্ঘ লাইন এড়াতে যাত্রীদের ডিজিটাল টিকিটিং ব্যবস্থার ব্যবহার করতে অনুরোধ জানিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। স্মার্ট কার্ড এবং মোবাইল কিউআর টিকিটের মাধ্যমে যাতায়াত করলে ৫% বোনাস বা ছাড় পাওয়া যাবে, যা অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং অথবা রিচার্জের সময় প্রযোজ্য।গত তিন দিনে বিশেষ প্রচার অভিযানের মাধ্যমে মেট্রো রেলওয়ে এবং ইস্টার্ন রেলওয়ে যৌথভাবে মোট ৭০১৬টি নতুন স্মার্ট কার্ড ইস্যু করেছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৫
দেশ

কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ৩টি নতুন মেট্রো রুটের

আগামী শুক্রবার, ২২ অগাস্ট কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দিন প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় তিনটি নতুন মেট্রো রুটের উদ্বোধন করবেন। এর মধ্যে রয়েছে নিউ গড়িয়ারুবি লাইন, জোকাতারাতলা লাইন এবং সেক্টর ফাইভসল্টলেক স্টেডিয়াম পর্যন্ত মেট্রোর সম্প্রসারণ।এই তিনটি নতুন রুট চালু হলে কলকাতার পরিবহণ ব্যবস্থা আরও গতিশীল হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিদিন কয়েক লক্ষ যাত্রী এই পরিষেবার সুফল পাবেন। মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের জল্পনা, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন কি না তা নিয়ে সংশয় আছে। নবান্ন সূত্রের খবর, রাজ্যের পক্ষ থেকে এখনও নিশ্চিত কোনও বার্তা দেওয়া হয়নি।নতুন রুটগুলির ভাড়া ও সময়সূচি ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। ভাড়া ১০ টাকা থেকে শুরু হয়ে সর্বাধিক ৩০ টাকা পর্যন্ত হবে। কলকাতার তিনটি নতুন মেট্রো অংশGreen (underwater), Orange, এবং Yellow (Airport Link)সবই ২২ আগস্ট উদ্বোধন করা হচ্ছে। Green অংশ উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই যাত্রী পরিষেবা শুরু হবে, অন্য দুটি লাইনে হয়তো কদিনের মধ্যে রুটিন চালু হবে। ভাড়া স্ট্রাকচার দূরত্ব ভিত্তিক এবং বিভিন্ন রুটে ৫টা থেকে ৪৫টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

আগস্ট ২১, ২০২৫
কলকাতা

রক্ষণাবেক্ষনের জন্য মেট্রো পরিষেবা বন্ধ, উবের শাটেলের নতুন রুট চালু

ভারতের লিডিং রাইডশেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম উবের, শিয়ালদহ থেকে নিউ টাউন পর্যন্ত একটি নতুন উবের শাটেল রুট চালু করলো যা ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ থেকে শুরু করে ১৩ মার্চ, ২০২৫ পর্যন্ত পাওয়া যাবে। পরিষেবাটি মেট্রোর লাস্ট মেইল ট্রাভেলের ক্ষেত্রে সেক্টর-ফাইভ থেকে নিউ টাউন লাইন প্রসারিত করতে এবং শিয়ালদহ থেকে সল্টলেক, সেক্টর ফাইভ লাইনে অস্থায়ী সাসপেনশনের ফলে প্রভাবিত যাত্রীদের স্বস্তি দেবে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে উবের এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পরিবহণ বিভাগের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি মউ অনুসারে কলকাতা প্রথম ভারতীয় শহর হয়ে ওঠেছে যেখানে উবের শাটেল চালু করছে। পরিষেবার দারুণ প্রতিক্রিয়া সরকারকে অস্থায়ী মেট্রো সাসপেনশনের ফলে তৈরি সমস্যা কমানোর জন্য একটি অতিরিক্ত রুটের অনুরোধ করতে শুরু করা হয়েছে।ঘোষণার বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মাননীয় মন্ত্রী-পরিবহন মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বলেছেন, পরিবহণ অপশনগুলিকে বাড়ানো এবং একটি নির্ঝঞ্ঝাট দৈনিক যাতায়াত নিশ্চিত করা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জন্য একটি অগ্রাধিকার৷ নতুন উবের শাটেল রুট যাত্রীদের একটি নিরাপদ, সুবিধাজনক বিকল্প, যা উবেরের প্রতিক্রিয়া এবং কলকাতায় গতিশীলতা উন্নত করার প্রতিশ্রুতির একটি প্রশংসনীয় অংশ ।নতুন রুটটিতে প্রতিদিন সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে সকাল ১১টা এবং বিকাল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ১৫ মিনিটের অন্তর বাস চলবে। যাত্রীরা উবের অ্যাপের মাধ্যমে সিট প্রি-বুক করতে পারেন, যাতে কোনও দাঁড়ানো যাত্রী ছাড়াই নিশ্চিত আসন নিশ্চিত করা যায়। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত বাসগুলিতে লাইভ ট্র্যাকিং, উবেরের ২৪x৭ সেফটি লাইন এবং অন্যদিকে অ্যাপ-নির্ভর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য থাকবে, যা একটি আরামদায়ক এবং নির্ভরযোগ্য রাইড প্রদান করবে।কলকাতায় পরিষেবা চালানোর বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে, ভারতের উবের শাটলের প্রধান অমিত দেশপান্ডে বলেছেন, কলকাতায় উবের শাটেল চালু করার পর থেকে, যাত্রীদের কাছ থেকে ব্যাপকভাবে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। এই সম্প্রসারণে আমাদের বিশ্বাস করার জন্য আমরা পরিবহণ দফতরের কাছে কৃতজ্ঞ। নতুন রুটের মাধ্যমে, আমরা মেট্রো বন্ধের সময় তার ব্যবধান পূরণ করার লক্ষ্য রাখি এবং প্রতিদিনের যাত্রীদের জন্য একটি দারুণ বিকল্প প্রদান করি। আগে থেকে থাকা উবের শাটেল নেটওয়ার্ক কলকাতার সমস্ত আবাসিক জেলা এবং কিছু আশেপাশের এলাকা যেমন ব্যারাকপুর, বারাসাত এবং সোনারপুরকে কভার করে। শিয়ালদহ থেকে নিউ টাউন পর্যন্ত নতুন রুটে যাত্রীদের দারুণ সংযোগ থাকবে।কিভাবে একটি উবের শাটেল ট্রিপ বুক করবেন:● উবের অ্যাপটি খুলুন এবং উপলব্ধ অপশনগুলি থেকে শাটেল সিলেক্ট করুন● আপনার পিকআপ এবং ড্রপঅফ লোকেশন লিখুন● আপনার রুট এবং প্রস্থানের সময় সিলেক্ট করুন● রিকয়েস্ট সিলেক্ট করুন এবং আপনার শাটেল ট্রিপ নিশ্চিত করুন ● আপনার ড্রাইভার এবং গাড়ির তথ্য সহ একটি পুশ নোটিফিকেশন পান● আপনার নির্ধারিত যাওয়ার কমপক্ষে ৫ মিনিট আগে পিকআপ লোকেশনে যান● শাটেলে চড়তে ড্রাইভারকে আপনার কিউ আর কোড দেখানএই রুটের প্রতিটি উবের শাটেল বাসে ২৪ থেকে ৪৩ জন যাত্রী বসতে পারবেন, উবের প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্থানীয় ফ্লিট পার্টনারদের দ্বারা পরিচালিত হবে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৫
রাজ্য

যাত্রী পরিবহণে বড় রেকর্ড কলকাতা মেট্রোয়, বেড়েছে কোটি কোটি টাকা ভর্তুকি

২০২৫ সালের জানুয়ারী পর্যন্ত এই অর্থিক বছরে, কলকাতা মেট্রো রেলে যাত্রী বৃদ্ধি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫.৩৯% বেশি। মেট্রো রেল চলতি বছরের জানুয়ারী পর্যন্ত ১৮.৫২ কোটি যাত্রী পরিবহণ করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের ১৬.০৫ কোটি(যা ২.৪৭ কোটি বেশি) ছিল।এই বিশাল সংখ্যক যাত্রী পরিবহনের জন্য, মেট্রো রেল যাত্রীদের সুবিধার্থে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছে। কলকাতায় মেট্রোর ভাড়া দেশে সর্বনিম্ন এবং দীর্ঘদিন ধরে বাড়ানো হয়নি। চলতি অর্থবছরের জানুয়ারী ২০২৫ পর্যন্ত মেট্রো রেলওয়ের পরিচালনগত ক্ষতির পরিমাণ ২২৪.৬৮ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ২০৭.৯০ কোটি টাকা ছিল।রাজস্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে, মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের স্বার্থে কোনও প্রভাব না ফেলে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনগুলিতে আবর্জনার বিনের ব্র্যান্ডিং, মেট্রো রেকের ভেতরে ও বাইরে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন, খোলা জায়গায় হোর্ডিং প্রদর্শন এবং বিভিন্ন স্টেশনে স্বাস্থ্য পরীক্ষার কিয়স্ক স্থাপন, হ্যান্ডেল চেইন ব্র্যান্ডিং ইত্যাদির মাধ্যমে রাজস্ব আয়ের উপর জোর দিচ্ছে। এছাড়াও, মেট্রো রেলওয়ে ট্র্যাক সাইডওয়াল ব্র্যান্ডিং, কার্ড ব্যালেন্স চেকিং টার্মিনাল (CBCT) ব্র্যান্ডিং, স্বয়ংক্রিয় স্মার্ট কার্ড রিচার্জ মেশিন (ASCRM) ব্র্যান্ডিং, AFC-PC গেটস এবং ফ্ল্যাপ ব্র্যান্ডিং, খাদ্য কিয়স্ক স্থাপন, স্মার্ট কার্ড এবং টোকেন ব্র্যান্ডিং, যাত্রীদের ইনফোটেইনমেন্ট প্রদানের জন্য রেকের ভিতরে ডিজিটাল ডিসপ্লে স্ক্রিন স্থাপন ইত্যাদির মতো উদ্ভাবনী ধারণাগুলিও বাস্তবায়ন করেছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারির শেষে মেট্রো রেলওয়ের অপারেটিং অনুপাত ২৩৬।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৫
কলকাতা

বর্ষশেষে কড়া নিরাপত্তা কলকাতা মেট্রোতে, নজরে পার্কস্ট্রিট, ময়দান ও এসপ্ল্যানেড

নীল লাইনের যাত্রীদের সুবিধার্থে নববর্ষের প্রাক্কালে রাতে ছয়টি অতিরিক্ত পরিষেবা চালাতে চলেছে মেট্রো রেল। যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মেট্রো রেলওয়ে নতুন বছরের প্রাক্কালে মঙ্গলবার এসপ্ল্যানেড, পার্ক স্ট্রিট, ময়দান, রবীন্দ্র সদন, দমদম এবং দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশনগুলিতে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে চলেছে। এই স্টেশনগুলিতে ভিড়ের পূর্বাভাস, সমস্ত প্রবেশ এবং প্রস্থান গেটে সুপ্রশিক্ষিত RPF কর্মীদের মোতায়েন করা হবে। মেট্রো RPF প্রত্যাশিত বিশাল ভিড় পরিচালনার পাশাপাশি যাত্রীদের ঝামেলামুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করার জন্য এই স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েনের ব্যবস্থা করবে।মহিলা ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য পার্ক স্ট্রিট স্টেশনে পর্যাপ্ত মহিলা RPF অফিসার এবং কর্মী মোতায়েন করা হবে। একজন সাব-ইন্সপেক্টর/অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টরের সমন্বয়ে একটি বিশেষ দল এবং দুজন মহিলা স্টাফ সহ চারজন স্টাফ পার্ক স্ট্রিটে উপস্থিত থাকবে। ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন বছরের শেষ দিনে এই দলটি যেকোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকবে। বাস্তব সময়ের পরিস্থিতি নিরীক্ষণ করার জন্য, উত্তর-দক্ষিণ মেট্রোর সেন্ট্রাল কন্ট্রোলে পর্যাপ্ত কর্মী নিয়োগ করা হবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ব্যাপকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।ওই দিন পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশনে একজন অফিসার এবং চারজন কর্মচারীর সমন্বয়ে আরেকটি বিশেষ দল মোতায়েন করা হবে। যাত্রীদের সঠিক নির্দেশনা দেওয়ার জন্য পার্ক স্ট্রিট, ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত সংখ্যক RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। এসব স্টেশনে নাশকতাবিরোধী চেকিংও করা হবে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৪
কলকাতা

বড়দিনে মেট্রোয় কঠোর নিরাপত্তা, ঝঞ্ঝাটমুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করতে বিশেষ পরিকল্পনা

আগামিকাল মেট্রোতে বড় দিনে বিশাল ভিড়ের আশা করছে কর্তৃপক্ষ। মেট্রো রেলওয়ে এসপ্ল্যানেড, পার্ক স্ট্রিট, ময়দান, রবীন্দ্র সদন, দমদম এবং দক্ষিণেশ্বর মেট্রো স্টেশনগুলিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে চলেছে৷ এই স্টেশনগুলিতে সমস্ত প্রবেশ ও প্রস্থান গেটে সুপ্রশিক্ষিত RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। সেই দিন যাত্রীদের ঝঞ্ঝাটমুক্ত যাত্রা নিশ্চিত করতে মেট্রো আরপিএফ এই স্টেশনগুলিতে অতিরিক্ত কর্মী মোতায়েনের ব্যবস্থা করবে।মহিলা ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পার্ক স্ট্রিট স্টেশনে পর্যাপ্ত মহিলা RPF অফিসার এবং কর্মী মোতায়েন করা হবে। একটি বিশেষ দল আগামিকাল, বুধবার পার্ক স্ট্রিট, ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে বিশেষ বাহিনী হিসাবে উপস্থিত থাকবে। এই দলটি যে কোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে। কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত কর্মী নিয়োগ করা হবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপকভাবে সিসি টিভি পর্যবেক্ষণ করা হবে। পার্ক স্ট্রিট যেহেতু উৎসবের মূল কেন্দ্র, তাই ভিড় নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অ্যান্টি-সাবোটাজ চেকিংও করা হবে।ভিড় সামলানোর জন্য আগামিকাল পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশনে একজন কর্মকর্তা এবং চারজন কর্মচারীর সমন্বয়ে আরেকটি বিশেষ দল মোতায়েন করা হবে। যাত্রীদের সঠিক নির্দেশনা দেওয়ার জন্য পার্ক স্ট্রিট, ময়দান এবং এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত সংখ্যক RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২৪
কলকাতা

কলকাতায় মেট্রো যাত্রীদের জন্য বিরাট সুখবর, জানতে হলে এই খবর আগে পড়ুন

কলকাতার চতুর্দিকে মেট্রো পরিষেবার বহর বাড়ছে। অরেঞ্জ লাইনেও এবার মেট্রো চালুর সময় এগিয়ে এসেছে। বেড়েছে মেট্রোর সংখ্যা। মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র বলেছেন, কবি সুভাষ ও হেমন্ত মুখোপাধ্যায় স্টেশনের মধ্যে পরিষেবার সংখ্যা ও পরিষেবার সময় দুটোই বাড়তে চলেছে আগামী ৫ অগাস্ট অর্থাৎ সোমবার থেকে। এখন দৈনিক ৪৮ টি পরিষেবা এই লাইনে চলে। ওই দিন থেকে মোট ৭৪ টি মেট্রো পরিষেবা (৩৭ আপ ও ৩৭ ডাউন)এই লাইনে চালানো হবে। পরিষেবাগুলি পাওয়া যাবে ২০ মিনিট অন্তর। এমনকি শনিবারেও এই মেট্রো পরিষেবা পাওয়া যাবে। জানা গিয়েছে, প্রথম মেট্রো পরিষেবা কবি সুভাষ ও হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে শুরু হবে সকাল ৯ টার বদলে সকাল ৮ টায়। আর দিনের শেষ মেট্রো পরিষেবা এই দুই স্টেশন থেকে পাওয়া যাবে বিকেল ৪:৪০ এর বদলে রাত ৮ টায়। রবিবার দিন কোনও পরিষেবা চলবে না।প্রথম পরিষেবা-কবি সুভাষ থেকে: সকাল ৯ টার পরিবর্তে সকাল ৮ টায়হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে: সকাল ৯ টার পরিবর্তে সকাল ৮ টায়শেষ পরিষেবা--কবি সুভাষ থেকে: বিকেল ৪:৪০ এর পরিবর্তে রাত ৮ টায়হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে: বিকেল ৪:৪০ এর পরিবর্তে রাত ৮ টায়

জুলাই ৩০, ২০২৪
কলকাতা

কলকাতা মেট্রোয় খুচরোর সমস্যা থেকে শীঘ্রই মুক্তি, সাড়া জাগানো উদ্যোগ

মেট্রো স্টেশনের টিকিট কাউন্টারেটিকিট কাটতে গিয়ে খুচরোর সমস্যার পরিচিত দৃশ্য খুব শীঘ্রই অতীত হতে চলেছে। কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ ডিজিটাল লেনদেনের এক নতুন পন্থা হিসাবে ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস (ইউ পি আই) ভিত্তিক টিকিটিং ব্যবস্থা খুব তাড়াতাড়ি চালু করছে। এর ফলে কাউন্টারে খুচরো টাকা বা পয়সার মাধ্যমে সঠিক ভাড়া দিতে গিয়ে বর্তমানে মেট্রো যাত্রীরাযে সমস্যার সম্মুখীন হন তা আর হবে না।স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ও সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেমস ( ক্রিস ) এর সহায়তায় মেট্রো কর্তৃপক্ষ ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস (ইউ পি আই) ভিত্তিক টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করছেন। মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী পি উদয় কুমার রেড্ডির উপস্থিতিতে মঙ্গলবার গ্রিন লাইনের শিয়ালদহ স্টেশনে এই ব্যবস্থার মহড়া সম্পন্ন হয়েছে। শ্রী রেড্ডি নিজে এই ব্যবস্থার সাহায্যে একটি টিকিট কাটেন। মেট্রো রেলওয়ের প্রিন্সিপাল চিফ অপারেশন্স ম্যানেজার শ্রী সৌমিত্র বিশ্বাসের উদ্যোগে ও তৎপরতায় এই নতুন টিকিটিং ব্যবস্থা মেট্রোয় চালু হচ্ছে।এই মহড়া সম্পূর্ণ হলেই নতুন এই টিকিটিং ব্যবস্থা প্রথমে গ্রিন লাইনে চালু হবে। এই সুবিধা নিতে আগ্রহী যাত্রীদের টিকিট কাউন্টারে গিয়ে প্রথমে তাদের গন্তব্য স্টেশনের নাম বলতে হবে। এরপর কাউন্টারের ডুয়াল ডিসপ্লে বোর্ডে ভেসে ওঠা কিউ আর কোডটি স্ক্যান করে স্মার্ট ফোনের সাহায্যে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করতে হবে। এই লেনদেন সম্পূর্ণ হলেই কিউ আর কোড বেসড কাগজের টিকিটটি তিনি হাতে পাবেন এবং মেট্রোয় সফর করতে পারবেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মেট্রো যাত্রীরা নিজেদের স্মার্ট কার্ডও রিচার্জ করতে পারবেন।Shri P Uday Kumar Reddy,GM, conducted the trial of #UPI Payment Based Ticketing System at #Sealdah #Metro station today.Once the trial is over,this ticketing system will be introduced in #GreenLine first then #BlueLine,#PurpleLine #OrangeLine for the benefit of the commuters. pic.twitter.com/IuWm4rEk4t Metro Railway Kolkata (@metrorailwaykol) May 7, 2024কলকাতা মেট্রোর গ্রিন লাইনে এই ব্যবস্থা সফল হলে যাত্রীদের সুবিধার্থে তা ব্লু লাইন , পার্পল লাইন ও অরেঞ্জ লাইনেও চালু করা হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।মেট্রো রেল , স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ও সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেমস ( ক্রিস )-এর বরিষ্ঠ আধিকারিকরা আজকের এই মহড়ায় শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন।

মে ০৮, ২০২৪
কলকাতা

দুর্গাপুজোর ছয় দিন রেকর্ড ভিড় কলকাতা মেট্রোতে, আয় কতো? আর যাত্রী সংখ্যা?

মেট্রো রেলের ভিড়েই প্রমান মিলেছে এবার কলকাতা কীভাবে মেতেছিল দুর্গাপুজোয়। করোনা আতঙ্ক দূর হতেই লক্ষ লক্ষ মানুষ ভিড় করেছে পুজোর মন্ডপে মন্ডপে। থিক থিক ভিড় মেট্রো রেলে। মেট্রো রেলে যাত্রীর পরিসংখ্য়ান দেখলেই চোখ কপালে উঠবে। এই লাইফ লাইনকে ভরসা করেই কলকাতায় যাতায়াত করেছেন লক্ষ লক্ষ যাত্রী। কোটি কোটি টাকা আয় করেছে মেট্রো কতৃপক্ষ।তৃতীয়া-চতুর্থী থেকেই রেকর্ড ভিড় হয়েছে মেট্রোতে। কতৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পঞ্চমী থেকে বিজয়দশমী পর্যন্ত কলকাতা মেট্রো ৩৯ লক্ষ ২০ হাজার ৭৮৯ জন যাত্রী বহণ করেছে। এর মধ্যে উত্তর-দক্ষিণ মেট্রোতে চড়েছেন ৩৭ লক্ষ ৪১ হাজার ৩৬১ জন যাত্রী। পাশাপাশি এই ছয় দিন পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে যাতায়াত করেছেন ১ লাখ ৭৯ হাজার ৪২৮ জন যাত্রী। এই দিনগুলিতে টোকেন, স্মার্ট কার্ড এবং স্মার্ট কার্ড রিচার্জ করে ৬ কোটি ০৬ লাখ ৯৪ হাজার ৫৬ টাকা আয় করেছে কলকাতা মেট্রো রেল। উত্তর-দক্ষিণ মেট্রো আয় করেছে ৫ কোটি ৭৯ লাখ ৯০ হাজার ৭১৬ টাকা এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো ২৭ লাখ ৩ হাজার ৩৪০ টাকা আয় করেছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

এক মাসে দু’বার ছাঁটাই! ফের ২৫০ কর্মীর চাকরি গেল অ্যামাজনে, কেন এই সিদ্ধান্ত?

বিশ্বের অন্যতম বড় ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজনে ফের কর্মী ছাঁটাই। এ বার সংস্থার যন্ত্র ও পরিষেবা বিভাগে প্রায় ২৫০ জনের চাকরি গিয়েছে। বুধবার ভোরে কর্মীদের ই-মেল ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। মূলত সফটওয়্যার তৈরির কাজে যুক্ত কর্মীদের উপরেই ছাঁটাইয়ের প্রভাব পড়েছে বলে জানা গিয়েছে।অ্যামাজনের তরফে জানানো হয়েছে, কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ ছিল না। তবে সংস্থার কাজকর্ম আরও দক্ষ করে তোলা এবং কর্মী কাঠামোয় সামঞ্জস্য আনার জন্য এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। সংস্থার এক মুখপাত্রের বক্তব্য, সাংগঠনিক কাঠামো পর্যালোচনা করার পর কয়েকটি পদ তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি একের পর এক নতুন পণ্য বাজারে এনেছে অ্যামাজন। নতুন কিন্ডল ই-বুক পাঠকযন্ত্র এবং ট্যাবলেট কম্পিউটার বাজারে আসার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর সামনে এল। বুধবারই অ্যালেক্সা-চালিত নতুন অ্যালার্ম ঘড়ি এবং ছবি দেখানোর ফ্রেম আনার কথাও ঘোষণা করেছে সংস্থাটি।চলতি মাসের শুরুতেই অ্যামাজনের মূল খুচরো ব্যবসা বিভাগে প্রায় ১,০০০ কর্মী ছাঁটাই করা হয়েছিল। তার পর ফের ২৫০ জনের চাকরি যাওয়ায় এক মাসের মধ্যে দ্বিতীয়বার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটল। এর আগে গত বছরের অক্টোবরে ১৪ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা জানিয়েছিল সংস্থা। চলতি বছরের জানুয়ারিতে আরও ১৬ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা করা হয়।অন্য দিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়াতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে অ্যামাজন। চলতি বছরে এই খাতে সংস্থার বিনিয়োগ ২২০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এক দিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বিপুল বিনিয়োগ, অন্য দিকে দফায় দফায় কর্মী ছাঁটাইঅ্যামাজনের এই দুই পদক্ষেপ ঘিরে প্রযুক্তি শিল্পে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ইন্দ্রনীলের অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা? সরকারি টেন্ডার নিয়ে তদন্তে চাঞ্চল্যকর দাবি

দুর্গাপুজোর পাস বিক্রি নিয়ে বিতর্কের পর এ বার তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সরকারি টেন্ডার নিয়ে প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে নতুন অভিযোগ সামনে এসেছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, ইন্দ্রনীলের মন্ত্রিত্বকালে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর থেকে প্রায় ৫৩ কোটি ৪৬ লক্ষ টাকার অনুষ্ঠান আয়োজনের কাজের বরাত দেওয়া হয়েছিল জিআইডিআই ক্রিয়েশন নামে একটি সংস্থাকে। অভিযোগ, সংস্থাটির মালিক ছিলেন ইন্দ্রনীলের এক বাল্যবন্ধু। ওই সংস্থার আগে এই ধরনের কাজ করার অভিজ্ঞতার প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও তারা সরকারি মেলা ও উৎসব আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে।তদন্তকারীদের দাবি, সরকারি কাজের বরাত পাওয়ার পর জিআইডিআই ক্রিয়েশন সেই কাজের দায়িত্ব থার্ড লাইন ক্রিয়েশন নামে অন্য একটি সংস্থাকে দেয়। বর্তমানে ওই সংস্থাটি বন্ধ বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, জিআইডিআই ক্রিয়েশন থেকে থার্ড লাইন ক্রিয়েশন-এর অ্যাকাউন্টে প্রায় ৫০ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা পাঠানো হয়েছিল। সেই বিপুল অঙ্কের টাকা কোথায় এবং কী ভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে আরও অভিযোগ, থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে সরাসরি ইন্দ্রনীল সেনের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা জমা পড়েছিল। পাশাপাশি, জিআইডিআই ক্রিয়েশন থেকে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে ৬৬ লক্ষ টাকা মাস আর্ট সোসাইটি নামে একটি সংস্থায় জমা রাখা হয়েছিল বলে দাবি। এই সংস্থার সভাপতি ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর পাস বিক্রির অভিযোগেও সংস্থাটির নাম উঠে এসেছিল।ইন্দ্রনীল সেনের মেয়ের সংস্থাগুলির অ্যাকাউন্টেও টাকা স্থানান্তরের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে তাঁর মেয়ের দুটি সংস্থা আইএসকেপ এবং মাইরা-র অ্যাকাউন্টে মোট ২২ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা পাঠানো হয়েছিল। এই লেনদেনের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের এই টেন্ডারগুলি যখন দেওয়া হয়েছিল, তখন পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি কাজের বরাত দেওয়া, এক সংস্থা থেকে অন্য সংস্থায় বিপুল টাকা পাঠানো এবং সেই টাকা ইন্দ্রনীল সেনের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে যুক্ত সংস্থাগুলিতে পৌঁছনোর অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই অভিযোগগুলির সত্যতা তদন্তের মাধ্যমেই স্পষ্ট হবে। পুরো আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন পুলিশ ও তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

কালীপুজোর আগে ফানুস ওড়ানোয় কড়াকড়ি! লাইসেন্স ছাড়া ওড়ালেই কি বিপদে পড়বেন?

পুজোর আগে বাজির পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি হয় ফানুস। উৎসবের মরসুমে বাড়ির ছাদ থেকে কিংবা রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে ফানুস ওড়ান অনেকে। তবে এ বার ফানুস বা এয়ার বেলুন ওড়ানো নিয়ে সতর্ক করলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত। তাঁর বক্তব্য, ফানুস ওড়ানোর ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে। অনুমতি বা লাইসেন্স ছাড়া ফানুস কিংবা এয়ার বেলুন ওড়ানোর কারণে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতেই এই বিষয়ে নিয়ম মেনে চলার উপর জোর দিয়েছেন তিনি।কালীপুজোর প্রস্তুতি নিয়ে সম্প্রতি বৈঠক করে পুলিশ ও প্রশাসন। তার পর যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে উৎসবের নিরাপত্তা ও বাজি ব্যবহারের নিয়ম নিয়ে বক্তব্য রাখেন আধিকারিকেরা। নবান্নের সভাঘর থেকে স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ সবুজ বাজি ব্যবহারের উপর জোর দেন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, হাসপাতাল, স্কুল, কলেজ ও বৃদ্ধাশ্রমের মতো নীরব এলাকায় শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। এই সব জায়গার ১০০ মিটারের মধ্যে শব্দবাজি ব্যবহার নিষিদ্ধ। সেখানে নীরবতা বজায় রাখতে হবে।কালীপুজোর আগে বাজির বাজারেও নজরদারি চালানো হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। নিষিদ্ধ বাজির বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চলবে। উৎসবের দিনগুলিতেও পুলিশি নজরদারি ও টহলদারি বজায় থাকবে। স্বরাষ্ট্রসচিবের কথায়, নিজের আনন্দ যেন অন্যের দুঃখের কারণ না হয়। প্রশাসনের কড়াকড়ির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতার উপরেও জোর দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, বাজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে মানুষ সচেতন হলে দুর্ঘটনা ও দূষণ অনেকটাই কমানো সম্ভব।বাজি নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগ জানানোর জন্য কন্ট্রোল রুম চালু করার কথাও জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রসচিব। নিষিদ্ধ বাজি ব্যবহার বা নিয়ম ভাঙার ঘটনা চোখে পড়লে সেখানে অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। কালীপুজোর সময় নীরব এলাকায় যাতে শব্দবাজি না ফাটানো হয়, সে দিকেও নজর রাখবে প্রশাসন।ফানুস ওড়ানো থেকে বাজি ফাটানো, উৎসবের আনন্দে যাতে কোনও দুর্ঘটনা না ঘটে, সে জন্য সকলকে সতর্ক থাকার বার্তা দিয়েছে পুলিশ ও প্রশাসন। বিশেষ করে ফানুস বা এয়ার বেলুন ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শব্দবাজি এড়িয়ে সবুজ বাজি ব্যবহারের আবেদন জানানো হয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড় ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবেই কি ভাসবে বাংলা? কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব দুর্বল হয়ে পড়লেও তার প্রভাব এখনও কাটেনি। এই ঘূর্ণিঝড়ের পরোক্ষ প্রভাবে বদলেছে বাংলার আবহাওয়া। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘে ঢাকা। শুরু হয়েছে বৃষ্টি। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে বৃহস্পতিবার উপকূলবর্তী ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্য জেলাগুলিতেও বৃষ্টি হতে পারে।মঙ্গলবার থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলবর্তী এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। সঙ্গে বইছে ঝোড়ো হাওয়া। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারও এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকা এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্য জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি হতে পারে।কলকাতা ও আশপাশের এলাকাতেও সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টিও হতে পারে। তবে অক্টোবরের শেষ দিন থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ধীরে ধীরে কমতে পারে বৃষ্টির পরিমাণ।দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং-সহ উত্তরবঙ্গের উপরের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। তাই পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। অন্য দিকে, সিকিমের উঁচু পার্বত্য এলাকায় তুষারপাত হয়েছে। কুপুপ গ্রাম ও নাথাং উপত্যকা-সহ একাধিক জায়গায় বরফ পড়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে বায়ুমণ্ডল পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই প্রভাব পুরোপুরি কেটে গেলে বাংলার তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে পারে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বাড়তে পারে শীতের আমেজ। তবে এখনই রাজ্যে শীত এসে গিয়েছে, এমনটা বলা যাবে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা কমবে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার আনাগোনা বাড়লে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাবে রাজ্যে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

"আমার যাওয়ার সময় হল..দাও বিদায়", ইন্দ্রনীলের সঙ্গে মমতাকে গান স্মরণ করালেন শুভেন্দু

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাওয়া গান বেশ ভাইরাল হয়েছিল। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে সেই প্রসঙ্গ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে তিনি তীব্র কটাক্ষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। নিজের গলায় আমার যাওয়ার সময় হল..দাও বিদায় গান করে মনে করিয়ে দেন। শুভেন্দুর কটাক্ষ, শেষ গানটাও আমরা শুনেছি, দুজন একসঙ্গে ডুয়েট করেছেন-আমার বিদায়ের সময় হলো, দাও বিদায়...আমার যাওয়ার সময় হলো। দুজন মিলেই করেছে, ডুয়েট। এদিন ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার নিয়ে সরাসরি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গ টেনে আনেন। ইন্দ্রনীলের বেআইনি কারবারে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর হাত থাকতে বলেও মনে করছেন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, একাতো খায়নি, খাইয়ে খেয়েছে। সিপিএমের সময় যা করতেন তৃণমূলের আমলে একই কাজ করেছেন ইন্দ্রনীল। তবে তৃণমূলের সময় তা আরও বেড়েছে বলে মন্তব্য় করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু বলেছেন, আমরা এখনও দুকামরার ফ্ল্যাটের বেশি থাকার জায়গা পেলাম না। সিঙ্গুরে খামারবাড়ি বানিয়েছে। স্ত্রীর নামে ইভেন্ড ম্যানেজমেন্ট কোম্পানী করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তথ্য সংস্কৃতি দফতর থেকে। আর্টিস্টদের কাছ থেকেও টাকার কমিশন নিতেন। নন্দীগ্রামের সময় বিরোধিতা করে গানও করেছেন ইন্দ্রনীল সেন, স্মরণ করাতে ভোলেনি শুভেন্দু অধিকারী।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

মেরুদণ্ড বিক্রি করেনি বলেই গ্রেপ্তার হয়েছেন ইন্দ্রনীল! বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়

দুর্গাপুজোর পাস নিয়ে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। বুধবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজিরা দিয়ে বেরোনোর পর তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে নতুন করে চাপানউতোর। ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্য দিকে, দুর্নীতির টাকা নিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি নিয়ে অভিষেক বলেন, বিজেপির শাসনকালে যাঁরা মেরুদণ্ড না বিকিয়ে লড়াই করছেন, তাঁরাই জেলে যাচ্ছেন। আর যাঁরা চোর, চিটিংবাজ, তাঁরা বিজেপির পতাকা ধরলেই সাত খুন মাফ হয়ে যাচ্ছে। এটাই হচ্ছে মোদীজির নতুন ভারত। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।দুর্গাপুজোর পাস সংক্রান্ত মামলায় বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের মুখোমুখি হতে গিয়েছিলেন ইন্দ্রনীল। সেখান থেকে বেরোনোর পরেই তাঁকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকেরা। ইন্দ্রনীল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের মন্ত্রী ছিলেন।তদন্তকারীদের অভিযোগ, তাঁর মন্ত্রিত্বের সময়ে দুর্গাপুজোর পাস নিয়ে বিপুল অঙ্কের আর্থিক দুর্নীতি হয়েছিল। সেই দুর্নীতির সঙ্গে ইন্দ্রনীল সরাসরি যুক্ত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মাস আর্ট প্রতারণা মামলার তদন্ত করছে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। অন্য দিকে, কোটি কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের আওতায় তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারির পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, দুর্নীতির টাকা মমতার কাছেও পৌঁছেছিল। শুভেন্দু বলেন, আমরা জানতাম, মমতা ও ইন্দ্রনীল দুজনে একে অপরের পরিপূরক ছিলেন। একা খেয়েছেন বলা ভুল হবে। মমতার সঙ্গে একই গাড়িতে ঘুরতেন। গান গাইতেন।শুভেন্দু আরও বলেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত সকলকেই জেলে যেতে হবে। তাঁর দাবি, রাজ্যে সরকার বদলের পরে ইন্দ্রনীলের মুখে নতুন সরকারের প্রশংসাও শোনা গিয়েছিল। তবে দুর্নীতির অভিযোগে কাউকে আড়াল করা হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি।ইন্দ্রনীলের গ্রেফতারি এবং তাঁকে ঘিরে অভিষেক ও শুভেন্দুর মন্তব্যে দুর্গাপুজোর পাস দুর্নীতি মামলা নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। তবে দুর্নীতির অভিযোগ এবং তা নিয়ে ওঠা রাজনৈতিক দাবিগুলির সত্যতা তদন্তের পরেই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার, ইউনেস্কো মামলায় তীব্র আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

ইউনেস্কোর নাম ও লোগো ব্যবহার করে দুর্গাপুজোর প্রবেশপাস বিক্রির অভিযোগে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের হাতে গ্রেপ্তার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা ইন্দ্রনীল সেন। বুধবার দুপুর একটা নাগাদ সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) দফতরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজিরা দেন তিনি। তখন থেকেই CGO কমপ্লেক্স ঘিরে ফেলে কলকাতা ও বিধাননগর পুলিশ। দুই কমিশনারেটের আধিকারিককে দেখা যায় সেখানে। বিকেল ৫টা ৬ মিনিট নাগাদ দফতর থেকে বেরোতেই তাঁকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় কলকাতা পুলিশ। তাঁকে লালবাজারে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান কুণাল আগরওয়াল।এই গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তুঙ্গে। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তদন্তকারী সংস্থাগুলি তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই আইনানুগ পদক্ষেপ করেছে। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন একা নন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ইন্দ্রনীল ও মমতার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক চোরেদের জেলে যেতে হবে।তদন্তকারীদের অভিযোগ, মাস আর্ট নামে একটি সংস্থার মাধ্যমে ২০২৩ ও ২০২৪ সালের দুর্গাপুজোর প্রবেশপাস বিক্রির ক্ষেত্রে ইউনেস্কোর নাম ও লোগো ব্যবহার করা হয়েছিল। পাসের দাম ছিল ১,৮০০ টাকা থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত। এইভাবে বিপুল অর্থ সংগ্রহ হলেও তার হিসাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংস্থাটির সঙ্গে ইন্দ্রনীল ও তাঁর স্ত্রী মধুচ্ছন্দার যোগ থাকার অভিযোগও রয়েছে।বউবাজার থানায় দায়ের হওয়া এফআইআরের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত শুরু করে। পাশাপাশি তদন্তে নামে ইডিও। লালবাজারে তলব এড়ানোর অভিযোগের মধ্যেই আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয় আদালতে। এখন তদন্তকারীদের নজর সংগৃহীত অর্থের পরিমাণ, লেনদেন এবং তার প্রকৃত ব্যবহার খতিয়ে দেখার দিকে।

অক্টোবর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

দশকের পর দশক বেহাল রাস্তা, আজও দুর্ভোগ! খাটিয়ায় রোগী নিয়ে হাসপাতালে ছুটলেন গ্রামবাসীরা

গ্রামের যাতায়াতের রাস্তা এতটাই বেহাল যে সেখানে প্রবেশ করতে পারে না কোনও জরুরি পরিষেবার যানবাহন। ফলে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে পৌঁছনোর জন্য ভরসা বলতে গ্রামবাসীদের কাঁধে চাপানো খাটিয়া। সোমবার সকালে এমনই এক অসহায় পরিস্থিতির ছবি সামনে আসতেই তুমুল চাঞ্চল্য ছড়াল মালদার চাঁচল মহকুমার হরিশ্চন্দ্রপুরে। অসুস্থ এক বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ব্লকপাড়া এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা অসুস্থ এক বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় শুইয়ে কাঁধে করে নিকটবর্তী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছেন। যদিও ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে যাচাই করা হয়নি। তবে ঘটনাটি সামনে আসার পরেই এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার বেহাল দশা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ঘটনার খবর পেয়ে সোমবার দুপুরে ব্লকপাড়া গ্রামে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে যান হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও ধ্রুবশীষ সামন্ত। অন্যদিকে, বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান। প্রশাসন ও বিধায়ক, উভয় পক্ষের তরফেই দ্রুত চলাচলের উপযোগী রাস্তা তৈরির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।কয়েক দশকের দুর্ভোগ, সরু আলই এখন যাতায়াতের ভরসাব্লকপাড়ার বাসিন্দাদের অভিযোগ, কয়েক দশক আগে এলাকায় মাটির রাস্তা ছিল। কিন্তু গ্রামের একটি বিশাল জলাশয়ের কারণে সেই রাস্তা ক্রমশ কেটে যেতে থাকে। বর্তমানে একসময়ের মাটির রাস্তা কার্যত সরু আলের আকার নিয়েছে। ভাঙাচোরা এই পথ দিয়ে যাতায়াত করাই এখন রীতিমতো দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।গ্রামবাসীদের দাবি, রাস্তা তৈরির প্রতিশ্রুতি তাঁরা আগেও বহুবার পেয়েছেন। বিশেষ করে ভোটের সময় বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও কাজ হয়নি। তাই এবার প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাসে কতটা কাজ হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে তাঁদের মনে।হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিডিও ধ্রুবশীষ সামন্ত জানান, বিষয়টি জানার পর তিনি নিজে এলাকায় গিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেছেন। দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে গ্রামবাসীদের জানানো হয়েছে।পেটের যন্ত্রণায় কাতর বৃদ্ধা, শেষ ভরসা খাটিয়াস্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্লকপাড়া এলাকার বাসিন্দা ৬২ বছর বয়সি বেলি ঋষি সোমবার সকাল থেকেই পেটের যন্ত্রণায় ছটফট করছিলেন। পরিবারের লোকজন জলপড়া দিয়েও তাঁর যন্ত্রণা কমাতে পারেননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত আশপাশের বাসিন্দাদের সাহায্য নিয়ে খাটিয়ায় শুইয়ে তাঁকে কাঁধে করে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।অসুস্থ বৃদ্ধার প্রতিবেশী সুমিতা মণ্ডল, বি ফল মণ্ডল ও অনিতা দাসদের অভিযোগ, গ্রামের অধিকাংশ পরিবারের কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াই বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাঁদের দাবি, রাস্তার অভাবে অনেক সময় ওঝা-গুনিনদের দ্বারস্থ হতে হয়। গ্রামে প্রায় দুই কিলোমিটার ভাঙাচোরা রাস্তা থাকলেও রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো উপযুক্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই। এদিন বৃদ্ধার পেটের যন্ত্রণা না কমায় বাধ্য হয়েই তাঁকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।রাজনৈতিক তরজার মধ্যেই রাস্তা তৈরির আশ্বাসএই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চাপানউতোর। হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অজয় পাশোয়ান বলেন, তৎকালীন শাসকদলের উদাসীনতার কারণেই ব্লকপাড়া এলাকার এমন বেহাল অবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে গ্রামের মানুষের দুর্দশার কথা মাথায় রেখে রাজ্য সরকার ও প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।অন্যদিকে, হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক মতিবুর রহমান অভিযোগের একাংশের বিরোধিতা করে জানান, যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিওটি দেখার পর তিনি ওই এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।সব মিলিয়ে, অসুস্থ বৃদ্ধাকে খাটিয়ায় চাপিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ভিডিও ঘিরে ব্লকপাড়ার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ সমস্যাটি ফের সামনে এসেছে। এখন গ্রামবাসীদের নজর প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাস বাস্তবে কত দ্রুত কার্যকর হয়, তার দিকেই।

অক্টোবর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal